Wellcome to National Portal
মেনু নির্বাচন করুন
Main Comtent Skiped

এনজিও

১। আশার আলো উন্নায়ন সংস্থা ।

২। গ্রামীণ ব্যাংক|

৩। ব্রাক ব্যাংক ।

বেসরকারী সংস্থাগুলো ০১নংউত্তর হামছাদী  ইউনিয়নের জনগনকে আর্থিক ভাবে সহায়ত প্রদানের জন্য শিক্ষা, স্বাস্থ্য, ক্ষুদ্র ঋণ সহ বিভিন্ন কার্যক্রম চালু রয়েছে ।

আমাদের দেশের উন্নয়ন খাতে অনেক এনজিও গুরুত্বপূর্ণ কাজ করে। দেশের দরিদ্র জনগোষ্ঠীর জীবনমান উন্নয়নে এরা নানা ধরনের উদ্যোগ ও কার্যক্রম গ্রহণ করে থাকে। এদের বেশিরভাগই বিদেশি দাতাদের অনুদানে চলে। দাতারা যেহেতু দরিদ্র জনগোষ্ঠীর জীবনমান উন্নয়নের জন্য টাকা দিয়ে থাকে সেহেতু এসব টাকা কিভাবে খরচ হচ্ছে তা জনগণ জানতে চাইতেই পারে। এনজিওদের ব্যাপারে জনগণের মনে সাধারণত যেসব প্রশ্ন জাগে—[এখানে ‘উন্নয়ন সংস্থা’ নামে একটি অজ্ঞাত নাম ব্যবহার করা হয়েছে। আবেদনকারীকে অবশ্যই আসল নাম ব্যবহার করতে হবে।]

 

ক. ২০১১-২০১২ অর্থবছরে ‘উন্নয়ন সংস্থা’ কত টাকা বিদেশি অনুদান পেয়েছে? খ. ‘উন্নয়ন সংস্থা’-র মোট ঋণগ্রহীতার সংখ্যা কত? গ. ঋণ পরিশোধে ব্যর্থ হলে কী ব্যবস্থা নেওয়া হয়? ঘ. ‘উন্নয়ন সংস্থা’ এ বছর মোট কত টাকা পেয়েছে এবং কোন খাতে কত টাকা খরচ করেছে?

 

এসব প্রশ্ন কিভাবে তথ্য অধিকার আইনের ভিত্তিতে চাইতে হয় তার কিছু নমুনা দেওয়া হলো:

১. ‘উন্নয়ন সংস্থা’ বাংলাদেশের একটি বড় এনজিও এবং ক্ষুদ্র ঋণ প্রদানকারী সংস্থা। এই প্রতিষ্ঠানের আওতায় যেসব ঋণ গ্রহণকারী পরিবার ঋণের কিস্তি পরিশোধ করতে পারেনি তাদের সংখ্যা কত? যে সমস্ত ঋণ গ্রহণকারী ঋণের কিস্তি শোধ করতে পারেনি সংস্থাটি তাদের বিরুদ্ধে কী কী পদক্ষেপ নিয়েছে তা জানতে চাই।

২. বর্তমানে ‘উন্নয়ন সংস্থা’-র জনবল কত? গত এক বছরে কতজন নতুন নিয়োগ পেয়েছে এবং কতজন ছাঁটাই হয়েছে তা জানতে চাই। যারা চাকরিচ্যুত হয়েছে তাদের আত্মপক্ষ সমর্থনের সুযোগ ছিল কি না, তাদের বিষয়ে শুনানি হয়েছে কি না এবং এ সংক্রান্ত তথ্য ফাইলে নথিভুক্ত হয়েছে কি না জানতে চাই।

৩. জানুয়ারি ২০০৭ থেকে জুন ২০১২ পর্যন্ত বিদেশি উত্স থেকে ‘ক’ নামক এনজিও অনুদান হিসেবে মোট কত টাকা পেয়েছে এবং তার শতকরা কত ভাগ অতি দরিদ্র পরিবারগুলোর জন্য খরচ করেছে জানতে চাই।

৪. ‘ক’ নামক এনজিওর স্থানীয় কর্মীরা কিস্তি তোলার সময় গ্রামের গ্রুপ সদস্যদের সাপ্তাহিক কিস্তি না পেলে তার পরিবর্তে সদস্যদের গরু, ঘরের টিন ইত্যাদি জাতীয় কোন সম্পদ নিয়ে যেতে পারেন—এ সংক্রান্ত নির্দেশনা আছে কি না জানতে চাই।

৫. গত অর্থবছরে ‘ক’ নামক এনজিও কত টাকা/ডলার/ইউরো দাতা সংস্থাসমূহের কাছ থেকে অনুদান হিসেবে পেয়েছে এবং তার মধ্যে কত অর্থ কোন কোন খাতে ব্যয় করেছে তার হিসাব দেখতে চাই।
৬. ক্ষুদ্রঋণ গ্রহণকারীরা যথাসময়ে কিস্তি জমা না দিতে পারলে পরবর্তী সময়ে কিস্তি পরিশোধে সদস্যদের জন্য কী কী সুযোগের ব্যবস্থা আছে? গত বছর কিস্তি দিতে না পারা সদস্যদের সংখ্যা কত?এগুলো ছাড়াও এ খাতের সঙ্গে প্রাসঙ্গিক আরো নানা ধরনের প্রশ্ন করা যেতে পারে। এনজিও বিষয়ক বিভিন্ন তথ্য জানার জন্য যে এনজিওতে তথ্য চাওয়া হবে সেখানে গিয়ে তথ্য অধিকার আইন অনুযায়ী দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তার কাছে নাম ও ঠিকানাসহ জমা দিতে হবে।